মোহাম্মদপুর, ঢাকায় দাঁতের পোকা ও ফিলিং চিকিৎসা
দাঁতের ফিলিং হলো পোকা লাগা (ক্যাভিটি) দাঁতের নষ্ট অংশ সরিয়ে সেই জায়গা দাঁতের রঙের উপাদান দিয়ে ভরাট করে দাঁতকে আবার স্বাভাবিকভাবে কাজ করার ও দেখতে স্বাভাবিক করার চিকিৎসা। মোহাম্মদপুর ডেন্টালে মোহাম্মদপুর, ঢাকায় দাঁতের রঙের কম্পোজিট ফিলিং করা হয়। পোকা আগে ধরা পড়লে সাধারণত ছোট ও সহজ ফিলিং-ই যথেষ্ট হয়।
চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে
প্লাকের জীবাণু চিনিকে অ্যাসিডে পরিণত করলে সেই অ্যাসিড ধীরে ধীরে দাঁতের শক্ত বাইরের স্তর গলিয়ে দেয়, একেই দাঁতে পোকা লাগা বলে। শুরুতে শুধু সাদা বা বাদামি দাগ থাকে; পরে গর্ত (ক্যাভিটি) হয় এবং স্নায়ুর দিকে গভীর হতে পারে।
ফিলিংয়ে ডেন্টিস্ট দাঁতের নষ্ট অংশ সরিয়ে ফিলিং উপাদান দিয়ে দাঁতের আকৃতি ফিরিয়ে দেন। কম্পোজিট ফিলিং দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে দাঁতের সঙ্গে আটকানো হয়, ফলে হাসিতে আলাদা বোঝা যায় না।
কার জন্য এই চিকিৎসা প্রয়োজন?
- দাঁতে দৃশ্যমান গর্ত, বা বাদামি অথবা কালো দাগ
- মিষ্টি, গরম বা ঠান্ডা খাবারে শিরশিরানি
- একই জায়গায় বারবার খাবার আটকে যাওয়া
- চিবানোর সময় ব্যথা
- দাঁতের ছোট ভাঙা বা ক্ষয়ে যাওয়া অংশ
চিকিৎসার ধারাবাহিক ধাপসমূহ
১. পরীক্ষা ও এক্স-রে
ডেন্টিস্ট দাঁত পরীক্ষা করেন এবং পোকা কতটা গভীর তা দেখতে প্রয়োজনে এক্স-রে করেন।
২. অবশ করা
পোকা সরানোর আগে লোকাল অ্যানেস্থেটিক দিয়ে দাঁত অবশ করা হয়।
৩. পোকা সরানো
দাঁতের নষ্ট অংশ সরিয়ে গর্ত পরিষ্কার করা হয়।
৪. ফিলিং বসানো
দাঁতের রঙের কম্পোজিট স্তরে স্তরে বসিয়ে বিশেষ আলোয় শক্ত করা হয়।
৫. আকৃতি ও কামড় ঠিক করা
ফিলিং আকৃতি ও পলিশ করা হয় এবং কামড় ঠিক আছে কি না দেখা হয়, যাতে স্বাভাবিক লাগে।
চিকিৎসা পরবর্তী যত্ন ও রিকভারি
সাধারণত সঙ্গে সঙ্গেই স্বাভাবিক কাজে ফেরা যায়। অবশ ভাব কয়েক ঘণ্টা থাকে, আর কয়েক দিন দাঁত গরম-ঠান্ডায় একটু শিরশির করতে পারে।
- অবশ ভাব কেটে যাওয়ার আগে খাবেন না, নইলে জিহ্বা, ঠোঁট বা গাল কামড়ে ফেলতে পারেন।
- ফিলিং করা দাঁতের চারপাশসহ স্বাভাবিকভাবে ব্রাশ ও ফ্লস করুন।
- কামড় উঁচু মনে হলে বা কয়েক দিনেও ব্যথা না কমলে ডেন্টিস্টের কাছে ফিরে আসুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
মোহাম্মদপুর ডেন্টালে আপনার পরামর্শের সিরিয়াল নিশ্চিত করুন
ডা. কাজিরুল ইসলাম ফাইহান-এর কাছে পরিষ্কার ও ব্যথামুক্ত চিকিৎসা পরামর্শের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।